বড়ই ভাগ্যবান জামায়াত ও জাতীয় পার্টি

 

সিডনীর কথামালা-৪০

রণেশ মৈত্র (সিডনী থেকে)
সভাপতি মন্ডলীর সদস্য, ঐক্য-ন্যাপ
E-mail:raneshmaitra@gmail.com

 

ছোটবেলায় শুনতাম “সব সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ”। তখন পাকিস্তান আমলে শুরু বা তার কিছু কাল আগে। তবে পাকিস্তান হওয়ার পর কথাটি আরও জোরে সোরে শুনা যেত। মুরুব্বীরা কেন এমন বলতেন-তা বুঝতাম না তখন। কাউকে জিজ্ঞেসও করিনি। কিন্তু কথা সত্যি হতে দেখলাম ১৫ আগষ্ট, ১৯৭৫ এ। যে বঙ্গবন্ধুরঅসাধারণ নেতৃত্বে স্বধীন হলো বাংলাদেশ – তাঁকেই কিনা সপরিবারে খুন করলো বাঙালির সন্তান সেনা সদস্যরা। ক্ষমতায় বসলেন আওয়ামী লীগ ও বাকশালের দুই নম্বর শীর্ষ নেতা খোন্দকার মোস্তাক। নিজেকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করলেন-যদিও বাংলাদেশের সংবিধানে ঐ পদটিকে “রাষ্ট্রপতি” বলে স্পষ্টাক্ষরে লিখিত ছিল – এখনও আছে। তাঁর (বঙ্গবন্ধুর) হাতে প্রমোশন পেয়ে প্রধান যে সদস্যরা ততোধিক বিস্মিত হলাম সেনাবাহিনীর প্রধান পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন দিব্যি তাঁরা কেউ ঐ ১৫ আগষ্ট ভোরে সব খবর জেনেও ছুটে এলেন না বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে। ঘন্টাকয়েকের মধ্যেই দিব্যি তাঁরাই আবার বঙ্গভবনে গিয়ে খোন্দকার মুশতাকের প্রতি আস্থা জানিয়ে স্বপথ নিলেন,  উচ্চ পদের চাকুরীও দিব্যি বহাল রাখলেন। তাঁরাই আবার পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এল দিব্যি মন্ত্রী এম,পি প্রভৃতি হলেন।

দেখলাম, এত বড় মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো কিন্তু দেশে তো তখন জামায়তের প্রকাশ্য কোন অস্তিত্ব ছিল না বি এন পিরও জন্ম হয় নি। শুধুমাত্র ন্যাপ, সিপিবি আর সদ্যোজাত অতি বিপ্লবী জাসদ ছিল ময়দানে ন্যাপ কমিউনিষ্ট পার্টি যৌথভাবে প্রতিবাদ মিছিল প্রভৃতির আয়োজন করার জন্য খুঁজছে আওয়ামী লীগকে কিন্তু তারা উধাও। কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না। কিশোরগঞ্জে তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল হলো ছাত্র ইউনিয়ন-ন্যাপ-কমিউনিষ্ট পার্টির উদ্যোগে। আওয়ামী লীগ সামিল হয় নি।

কিন্তু অপার বিস্ময়ে দেখলাম কতই না অদ্ভুত দ্রুততার সাথে খোন্দকার মোশতাকের আহ্বানে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রী সভার, তাজ উদ্দিন আহমেদ , সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান ও আবদুস সামাদ আজাদ বাদে অন্য প্রায় সবাই গিয়ে মোশতাকের নেতৃত্বে মন্ত্রীত্বের শপথ নিয়ে মন্ত্রীপদে আসীন হয়ে দেশ শাসনে মোশতাকের অংশীদার হলেন। হন নি ড. কামাল হোসেনও। তখন ঠিকই বুঝে নিলাম “সব সম্ভোবের দেশ বাংলাদেশ” কথাটি যে বাল্যকাল থেকে শুনে আসছি-তা কতই না সত্য, একবোরে অক্ষরে অক্ষরে সত্য। আর ভাবতাম, এসব যে আইনী সরকার উৎখাত করে মুক্তিযুদ্ধের নীতি আদর্শে বিশ্বসী সরকার প্রতিষ্ঠিত একদিন না একদিন হবেই। তখন নীতিহীনরা নিশ্চয়ই পাত্তা পাবে না।

সেনাবাহিনীতে অত:পর নানা ভাঙ্গা-গড়ার পর খোন্দকার মোশতাকেকে নীরবে-নিভৃতে তাড়িয়ে দিয়ে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করলেন।  তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ভাবা গেল হয়ত তিনি আকাংখিত পরিবর্তন গুলো ঘটাবেন। নীতিহীন আমলা ও নানা দলের দলত্যাগী নীতিহীনদের নিয়ে তিনি মন্ত্রীসভা গঠন করলেন। আর মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীন বিরোধী জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আমীর পাকিস্তানী পাসপোর্ট ধারী গোলাম আযমকে দিব্যি ভিসা মঞ্জুর করলেন। অত:পর সামরিক অস্ত্রের জোরে সংবিধানের পঞ্চম সংযোজন করলেন, জামায়তে ইসলামী ও ধর্মভিত্তিক দলগুলির সম্পর্কে বাহাত্তরের সংবিধানে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা তুলে নিয়ে তাদেরকে সাংবিধানিক বৈধতা দিলেন। তখন সংসদ ছিল না তা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছিল। চমৎকার মুক্তিযোদ্ধা স্বঘোষিত জেনারেলও তিনি হলেন। রাজনীতি করবেন না বলে ক্ষমতা দখল করে তিনি নিজেই প্রথমে “জাগোদল” নামে পরে বি এন পি নামক দলও গঠন করলেন।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোট গঠন করে তখন আমরা জিয়া বিরোধী আন্দোলনে নামলাম। জোটের পক্ষ থেকে জনগণকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলো জোট ক্ষমতায় গেলে মুক্তিযুদ্ধের সকল নীতি আদর্শ বাস্তবায়ন করা হবে। জিয়ার পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে বাহাত্তরের মূল সংবিধান অবিকৃতভাবে পুন:স্থাপন করা হবে।

এই আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অবস্থান কালে জিয়াউর সহ বহুলোক সামরিক বাহিনীর হাতেই নির্মম ভাবে নিতে হলেন। ভাইস  প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুস সাত্তার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেব দায়িত্ব নেন এবং পরে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে নির্ধারিত হন।

অত:পর তৎকালীন সেনাপ্রধান হোসাইন মো: এরশাদ ক্যান্টনমেন্টে অবস্থানকালেই দিব্যি সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিলেন যা সম্পূর্ণ বে-আইনী। অত:পর বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে হটিয়ে দিলেন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে হঠাৎ করেই তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে অপর একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করলেন যা আইনত: অবৈধ। দীর্ঘ প্রায় এক দশক চলে এরশাদের রাজত্ব। গঠিত হলো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দল আর বিএনপির নেতৃত্বে সাত দল। ইতোমধ্যে বেগম খালেদা জিয়া তাঁর মৃত স্বামীর গড়া দলটির নেতৃত্ব রত হয়েছেন।

বেগম জিয়া নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হন ১৯৯১ সালে। তিনি এদেশে প্রথম জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে বিএনপির মন্ত্রীসভা গঠন করেন। আবার দ্বিতীয় দফায় তিনি প্রধানমন্ত্রী হন জামায়াত ইসলামী সহ চার দলীয় জোটের নেত্রী হিসেবে। সেই দফায় তিনি দু’জন কুখ্যাত জামায়াত নেতাকে মন্ত্রীত্ব পদ দিয়ে সম্মানিতও করেন। এভাবেই জিয়া ও বেগম জিয়া নানা উদ্যোগে রাষ্ট্র ক্ষমতার ঔদ্ধত্যপূর্ণ অপপ্রয়োগ করে দেশের স্বাধীনতা বিরোধী  অপশক্তিকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদারও করে নিলেন যার তুলনা পৃথিবীর ইতিহাসে না থাকলেও “সব সম্ভবের দেশ  বাংলাদেশটিতে তা দিব্যি পূর্ণ পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কার্যকর হলো।

তবে এ কথাও মানতে হবে হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ আশীর দশকে অবৈধ ভাবে ক্ষমতা দখলের পর জাতির জীবনাকাশে যে ঘন কালো মেঘ দিন দিনই ঘনীভূত হয়ে তমানিশার আচ্ছনড়ব করেছিল দেশটাকে তার বদৌলতে সংবাদপত্রগুলি হারিয়েছিল তার স্বাধীনতা, সংবিধান হচ্চিল পদদলিত , রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদেরকে সভা থেকে গ্রেফতার করে চোখ বেধেঁ ক্যান্টনমেন্টের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আটকে রেখে সীমাহীন নির্য্যাতন করা হয়েছিল এরশাদ বিরোধী গণ আন্দোলনের এক পর্য্যায়ে গঠিত ১৫ দল ও সাত দলের ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের অঙ্গনে সংঘঠিত মিছিলের ওপর ট্রাক চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল-যুবলীগনেতা যখন বুকে পিঠে “স্বৈরাচার নিপাত যাক-গণতন্ত্রমুক্তি পাক” লিখে রাজপথে নেমেছিলেন তখন তাঁকে প্রকাশ্যে ঐ রাজপথেই মিছিলরত অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করেছিল-হত্যা করেছিল অগণিত ছাত্র-যুব-কৃষক নেতাকেও। এই সকল অপরাধের দায়ে বেগম জিয়া ক্ষমতাসীন হয়ে ১৯৯২ সালে এরশাদকে কারাগারে নিক্ষেপ করেছিলেন অসংখ্য মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগসহ আন্দোলনরত সকল দলের সম্মতির ভিত্তিতে। এ কারণে তখন প্রসংশিতও হয়েছিলেন বেগম জিয়া।

অত:পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে দু’বছর ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করলে ২০০৮ সাল থেকে পুনরায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসীন হয় – আজও দলটি ক্ষমতাসীন। কিন্তু সেই আটক স্বৈরাচারী এরশাদ আজ কোথায়? কোথায় গেল তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলি? সব মামলাই প্রত্যাহৃত একটি মাত্র মামলা বাদে। এবং এই প্রত্যাহারগুলি দিব্যি ঘটলো এই আমলে। বিস্ময়? না, আরও খবর আছে।

খবরটি হলো সেই এরশাদ বর্তমান সরকারের বিশেষ প্রতিনিধি মধ্যপ্রাচ্যের জন্য মন্ত্রীর পদমর্য্যাদায় নিয়োজিত। আর তাঁর স্ত্রী রওশন এরশাদ? তাঁকে কার্য্যত: নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিরোধী দলীয় নেতা-যদিও গৃহপালিত। ওই বিরোধী দলটির নাম জাতীয় পার্টি। তারই প্রধান নেতা এরশাদ। জাতীয় পার্টি থেকে জনাকয়েক মন্ত্রীও বর্তমান মন্ত্রীসভাকে অলংকৃত করছেন। এটাও সম্ভব – কারণ “সব সম্ভাবের দেশ আমাদের বাংলাদেশ”। এ জাতীয় “গ্রহপালিত বিরোধী দলীয় নেতা” ইতোপূর্বেও দেখতে হয়েছে। তিনি জামদের আ.শ.ম. বব – কিন্তু তিনি আওয়ামী লীগ আমলে তা হন নি হয়েছিলেন সম্ভবত: এরশাদের আমলে।

এরশাদের অপরাধ তিনি বে-আইনীভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে সংবিধানের অবমাননা করেন, রাষ্ট্র দ্রোহিতা করেন এবং বিপুল সংখ্যক দুর্নীতির অভিযোগে বহু মামলায় অভিযুক্ত হলেও একটাতে সাজাও খেটেছেন। সুপ্রিম কোর্টে বে-আইনী ভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল সংবিধান সংশোধন প্রভৃতির জন্য তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছিলেন মাত্র কয়েক বছর আগে। কিন্তু কার্য্যত দেখা গেল মামলা তো হলোই না তিনি বরং পুরস্কৃত হলেন, বিশেষ প্রতিনিধিত্ব মন্ত্রীর মর্য্যাদায় গেলেন, একের পর মামলা গুলিও প্রত্যহৃত হলো…..ইত্যাদি।

সে কারণেই বলি, বড়ই ভাগ্যবান পার্টি জাতীয় পার্টি-বড়ই দূরদর্শী “জননেতা” স্বৈরাচারী বলে সারাবিশ্বে নিন্দিত (মধ্যপ্রাচ্য বাদে) হুসায়েন মোহাম্মদ এরশাদ।

আর জামায়তে ইমলামী? এই দলটির ভাগ্যলিপি সম্ভবত: স্বর্ণাক্ষরে লেখা। দলটি ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতিকে আক্রমণকারী পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীকে স্বাগত জানালো, তাদেরকে পাকিস্তানের রক্ষক বলে তৈলমর্দন করলো, মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের বাড়ীঘর পাক-বাহিনীকে চিনিয়ে দিলো গণহত্যায়, গণনির্য্যাতনে তাদের সাথে সর্বাত্মক সহযোগিতা করলো, তাদের নির্দেশে শক্তি কমিটি, আলশাম্স্, আলবদর বাহিনী গঠন করে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিলো-অস্ত্র সজ্জিত হয়ে অগণিত দেশপ্রেমিক বুদ্ধি জীবী ও অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করলো কয়েক লক্ষ বাঙালী নারীকে ধর্ষণ করলো। বাহাত্তরের সংবিধানে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন সরকার জামায়াতে ইসলামী সহ সকল ধর্মাশ্রয়ী দলকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং ধর্মের নামে কোন রাজনৈতিক দল সংগঠন গঠনও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা সত্বেও জিয়া এসে অবৈধভাবে পঞ্চম সংশোধনী জারী করে “বিস্মিল্লাহ” সংযোগন করলেন ও জামায়াত সহ ধর্মাশ্রয়ী দলগুলোকে বৈধতা প্রদান করলেন – হাজী মো: এরশাদ জয়ী করলেন অষ্টম সংশোধনী এবং তার মাধ্যমে প্রবর্তিত হলো “রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। ১৫ দল ছিলো জিয়া এরশাদের এই পঞ্চম ও অষ্টম সংশোধনী বাতিলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সরকার ক্ষমতাসীন হয়ে দীর্ঘকাল শাসনক্ষমতা পরিচালনা করলেও তাঁরা ঐ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেনই না করলেন বরং উল্টোটা। সুপ্রীম কোর্ট বাতিল করে এলো পঞ্চম ও অষ্টম সংশোধনী-অর্থাৎ “বিসমিল্লাহ” জামাত ও ধর্মাশ্রায়ীদল ও রাজনীতি বৈধাকরণ এবং রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম। এই রায় কার্য্যকর হতে প্রয়োজন ছিল একটি মাত্র গেজেট নোটি ফিকেশনের। তা না করে পাস করা হলো পঞ্চদশ সংশোধনী যাতে ওগুলি সবই বহাল থাকে। বঙ্গবন্ধুর বাহাত্তরের সংবিধান ও তার চার মৌলনীতি পুন:স্থাপনের বদলে জিয়া ও এরশাদের আদর্শ পুন:প্রতিষ্ঠিত হলো আওয়ামী লীগের হাত দিয়েই কিন্তু বলা হয় , এ সরকার ধর্মনিরপেক্ষতার বিশ্বাসী জামায়াত নিষিদ্ধকরণ নিয়ে টালবাহানার অন্তনেই।

সব কিছু মিলিয়ে ঐ কথাটার সত্যতাই প্রমাণিত হয় “সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ”।

নইলে কী করে এ আমলে সম্ভব হচ্ছে জাতীয় পার্টির রাজকীয় অবস্থান এবং বৈধ দল হিসেবে জামায়াতের বিচরণ?

আবার বি-এন-পিকে যখন বলা হয় “জামাত ছেড়ে এসে আলোচনার কথা বলুন” কিন্তু রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা থেকেও তাঁরা ঐ দলকে বে- আইনী করেন না আদালত রায় দেওয়া সত্বেও না। তাই জামায়াত ও জাতীয় পার্টি নিশ্চিতই দুটি ভাগ্যবান দল। ভাগ্যবানই বটে।

 

  • প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। কাগজ২৪-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য কাগজ২৪ কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!